Here you will see the details of a News or Event

কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হলো কৃষি গুচ্ছের ভর্তি পরীক্ষা, মোট উপস্থিতি: ৯৪.৬৯%।

কুড়িগ্রাম, জানুয়ারি ২০২৬: ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের কৃষি গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (কুড়িকৃবি) কেন্দ্রে সফলভাবে ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। এবার গুচ্ছের নয়টি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট ৩৭০১টি আসনের বিপরীতে ৮৮,২২৭ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেছিলেন। এই বৃহৎ প্রতিযোগিতার মধ্যে কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে আবেদনকারীর সংখ্যা ছিল ৭৬৫০ জন, যা দেশের নয়টি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে তৃতীয় সর্বোচ্চ।

 

শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ভোগান্তি লাঘব করতে উত্তরবঙ্গে দ্বিতীয়বারের মতো পরীক্ষা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়। কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মুহঃ রাশেদুল ইসলামের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষ থেকে এই উদ্যোগ শুরু হয়, যা এই বছরও সফলভাবে পরিচালিত হয়েছে।

 

শনিবার, জানুয়ারি ২০২৬ খ্রি. দুপুর ২ ঘটিকায় পরীক্ষা শুরু হয়ে শেষ হয় ৩ ঘটিকায়। কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে মোট ৪টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়:

 

· কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (কেন্দ্র): মোট: ৪০০ জন, উপস্থিত ছিল: ৩৮৫ জন, উপস্থিতি: ৯৬.২৫%

· কুড়িগ্রাম সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ (উপ-কেন্দ্র): মোট: ৬০০ জন, উপস্থিত ছিল: ৫৭২ জন, উপস্থিতি: ৯৫.৩৩%

· বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে, রংপুর (উপ-কেন্দ্র): মোট: ৩০০০ জন, উপস্থিত ছিল: ২৮১২ জন, উপস্থিতি: ৯৩.৭৩%

· ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ, রংপুর (উপ-কেন্দ্র): মোট: ৩৬৫০ জন, উপস্থিত ছিল: ৩৪৭৫ জন, উপস্থিতি: ৯৫.২০%

· মোট পরীক্ষার্থী: ৭৬৫০ জন, উপস্থিত ছিল: ৭২৪৪ জন, মোট উপস্থিতি: ৯৪.৬৯%

 

গতবারের মতোই এবারও কৃষি গুচ্ছ পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। গুচ্ছভুক্ত ৯টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও শান্তিপূর্ণভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয়ভাবে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি গ্রহণ করেছিল।

"যেকোনো ধরনের অনিয়ম রোধে পর্যাপ্তসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও ভিজিল্যান্স টিম কাজ করেছিল। তার ফলে আজকের ভর্তি পরীক্ষাটি খুবই সুশৃঙ্খল এবং সফলভাবে কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নিতে পেরেছে।" - প্রফেসর ড. মুহঃ রাশেদুল ইসলাম, উপাচার্য, কুড়িকৃবি।

 

শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকবৃন্দ নিজ এলাকার কেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে পেরে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেছেন। তারা উপাচার্য মহোদয়ের এই মহতী উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। নিকটবর্তী কেন্দ্রে পরীক্ষা হওয়ায় ভ্রমণের কষ্ট কমেছে, ফলে শিক্ষার্থীরা তাদের পরীক্ষায় ভালোভাবে মনোযোগ দিতে পেরেছে। এছাড়া পরিবহন খরচ কম হওয়ায় পরীক্ষার্থীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।