Here you will see the details of a News or Event

কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে কৃষি যান্ত্রিকীকরণ ল্যাবে চিত্র প্রদর্শনী ও কর্মশালায় মাননীয় উপাচার্যের পরিদর্শন।

কুড়িগ্রাম, ৭ আগস্ট ২০২৬: কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি যান্ত্রিকীকরণ ল্যাবরেটরির উদ্যোগে গত বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট ২০২৬) দিনব্যাপী একটি বিশেষ চিত্র প্রদর্শনী ও কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি যান্ত্রিকীকরণ বিভাগে আয়োজিত এই ব্যতিক্রমী অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী চিন্তা ও ব্যবহারিক দক্ষতা চমৎকারভাবে ফুটে ওঠে।

অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মুহঃ রাশেদুল ইসলাম প্রদর্শনীটি পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে তিনি শিক্ষার্থীদের তৈরি বিভিন্ন আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি, ল্যাবরেটরির নকশা এবং উদ্ভাবনী কৃষি যন্ত্রপাতির চিত্র ও পোস্টার ঘুরে দেখেন। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, প্রদর্শনীতে স্থান পাওয়া এই চমৎকার চিত্র ও নকশাগুলো শিক্ষার্থীরা সম্পূর্ণ নিজ হাতে অঙ্কন করেছেন। তিনি শিক্ষার্থীদের এই অনন্য সৃজনশীল কাজের প্রশংসা করেন এবং কৃষি প্রযুক্তির আধুনিকায়ন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন।

মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মুহঃ রাশেদুল ইসলাম তাঁর বক্তব্যে বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে এবং কৃষিকে আধুনিকীকরণ করতে কৃষি যান্ত্রিকীকরণের ভূমিকা অপরিসীম। ল্যাবরেটরির এই চিত্র প্রদর্শনী শিক্ষার্থীদের তাত্ত্বিক জ্ঞানের পাশাপাশি ব্যবহারিক দক্ষতাকে আরও সমৃদ্ধ করবে। কৃষি যন্ত্রপাতিকে আরো কার্যকরী ও সহজলভ্য করে কৃষকের দাঁড় গোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য তিনি শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকদের পরামর্শ দেন। তিনি ল্যাবরেটরির গবেষণামূলক কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

আয়োজকরা জানান, এই কর্মশালার মূল উদ্দেশ্য ছিল চিত্রের মাধ্যমে আধুনিক কৃষি যান্ত্রিকীকরণের নানা দিক ফুটিয়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের বাস্তবমুখী শিক্ষার প্রতি আগ্রহী করে তোলা। প্রদর্শনীতে শিক্ষার্থীদের নিজ হাতে আঁকা চিত্রগুলোতে তাঁদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও শ্রম ছিল লক্ষণীয়।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষার্থী বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুল আলীম, ল্যাব ইনচার্জ এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।

অনুষ্ঠানের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন কৃষি যান্ত্রিকীকরণ বিভাগের প্রভাষক মোছাঃ তাছলিমা নাছরিন।